নদী ভাঙ্গনে পাল্টে যাবে গলাচপিার নাম

মো: নাসির উদ্দিন, ক্রাইম রিপোর্টার, পটুয়াখালীঃ
 বঙ্গোপসাগর ঘঁেষা পটুয়াখালী জলোর গলাচপিা উপজলো। একটি পৌরসভা ও বারটি ইউনয়িন নয়িে উপজলোটি গঠতি। ইংরজেী ২০১৫ সনরে আদম শুমারী অনুযায়ী উপজলোর মোট লোকসংখ্যা তনি লক্ষ একষট্টি হাজার পাঁচশত আঠার জন ও আয়তন এক হাজার দুইশত সাতষট্টি দশমকি আট নয় র্বগ কলিোমটিার। লোহালয়িা, রামনাবাদ, আগুনমুখা, বুড়াগৌরাঙ্গ ও তঁেতুলয়িা নদীবষ্টেতি নর্সৈগকি সৌর্ন্দযমন্ডতি এ উপজলো। নদীগুলো বঙ্গোপসাগররে সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। পৌরসভা বাদে সবক’টি ইউনয়িনরে নদী তীরর্বতী শত শত গ্রামরে হাজার হাজার পরবিাররে প্রায় র্অধলক্ষ মানুষ লোহালয়িা, রামনাবাদ, আগুনমুখা, বুড়াগৌরাঙ্গ ও তঁেতুলয়িা নদীর অব্যাহত তীব্র ভাঙণরে ফলে আতংকে দনি কাটাচ্ছনে। বঙ্গোপসাগররে প্রধান শাখা আগুনমুখা নদী। আগুনমুখার তনিটি শাখার একটি রামনাবাদ, একটি বুড়াগৌরাঙ্গ ও অপরটি তঁেতুলয়িা। রামনাবাদর একটি শাখা লোহালয়িা। এ পঞ্চ নদীর ভাঙণরে তান্ডবলীলায় নদীর্গভে বলিীন হতে যাচ্ছে এ উপজলোর প্রাকৃতকি সৌর্ন্দযমন্ডতি জীববচৈত্র্যি, কৃষসিমৃদ্ধ ও মৎস্যসমৃদ্ধ এলাকার হাজার হাজার পরবিাররে ঘর-বাড়,ি হাজার হাজার একর মূল্যবান আবাদি জম,ি গাছ-পালা, রাস্তা-ঘাট, দোকান-পাট, স্কুল, কলজে, মাদ্রাসা, মসজদি, মন্দরি সহ শতর্বষরে ঐতহ্যিবাহী স্মৃতবিজিড়তি বভিন্নি স্থাপনা। ক্রমান্বয়ে ফসলি জমি ভঙেে রাক্ষুসে নদীগুলো প্রায় গলিতে শুরু করছেে বড় বড় স্থাপনা। অনকেইে ঘর-বাড়ি ছড়েে আশ্রয় নয়িছেনে আত্মীয়স্বজনরে বাড়তি।ে গৃহহারা পরবিাররে লোকজন তাদরে সহায়-সম্বল হারয়িে এখন মানবতের জীবনযাপন করছনে। অধকিাংশ মানুষ জীবকিার উদ্দশ্যেে পাড়ি জময়িছেনে রাজধানী শহর।ে ভয়ংকররূপী এ নদীগুলোর নজরিবহিীন তীব্র ভাঙণে শতাব্দীর প্রাচীন শত শত গ্রাম আজ উপজলোর মানচত্রি থকেে হারয়িে যাচ্ছ।ে ইতপর্িূবে কছিু কছিু এলাকার বন্যানয়িন্ত্রণ বাঁধ একাধকিবার স¤প্রসারণ করায় পানি উন্নয়ন র্বোডরে ক্ষতি হয়ছেে কোটি কোটি টাকা। এখনও হুমকরি মুখে পড়ছে উপজলোর বন্যানয়িন্ত্রণ বাঁধগুলো। ইতমিধ্যে নশ্চিহ্নি হয়ে গছেে বশে কয়কেটি গ্রাম। উপজলোটি বাংলাদশেরে ভতিরে সবচয়েে বড় কৃষসিমৃদ্ধ ও মৎস্যসমৃদ্ধ বানজ্যিকি এলাকা। এখানে ধান, আলু, তরমুজ, মরচি, বাদাম, বভিন্নি রকমরে ডাল যমেন মুগ, মুশরী, মাসকালাই, বভিন্নি প্রজাতরি মাছ যমেন ইলশি, কোড়াল, আইর, পাঙ্গাস, বোয়াল, রুই, কাতলা, মৃগলে, গ্রাসর্কাপ, সলিভারর্কাপ, পোমা, টংেরা, গাগরা, বাইলা, রূপচাঁদা, ভাটা, ফাইসা, রামছোচ, সংি, মাগুর, ক,ৈ গলদা চংিড়,ি বাগদা চংিড়,ি হরণিা চংিড়,ি কাঠালী চংিড়ি পাওয়া যায়। এছাড়া, এখানে আরও নাম না জানা অনকে রবশিস্য ও মাছ পাওয়া যায়। এখান থকেে বাংলাদশেরে র্সববৃহৎ বঙ্গোপসাগররে র্গজন শোনা যায়। উপকূলর্বতী উপজলোয় বভিন্নি প্রাকৃতকি র্দূযোগ থাকা সত্ত¡েও এখানকার খাদ্যশস্য, রবশিস্য ও বভিন্নি প্রজাতরি মাছ দশেরে চাহদিা মটিয়িে বদিশেে রপ্তানি করে প্রচুর বদৈশেকি মুদ্রা আয় করা হয়। তাই দশেরে র্স্বাথে অদূর ভবষ্যিতে সমুদ্ররে অতল র্গভে হারয়িে যাওয়ার হাত থকেে উপজলোটকিে রক্ষা করা প্রয়োজন। সরজেমনিে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান করে জানা যায়, লোহালয়িা নদীর ভাঙণরে কবলে পড়ছ-ে উপজলোর কলাগাছয়িা ইউনয়িনরে উত্তরে কলাগাছয়িা লঞ্চঘাট থকেে দক্ষণিে সোনামুদ্দি সকিদার বাড়ি র্পযন্ত তনি কলিোমটিার; আমখোলা ইউনয়িনরে উত্তরে শ্যাকাঠীর খাল থকেে দক্ষণিে চংিগুরয়িা র্পযন্ত আড়াই কলিোমটিার এবং উত্তরে আমখোলা বাজার থকেে দক্ষণিে সূহরী বাজার র্পযন্ত দড়ে কলিোমটিার। রামনাবাদ নদীর ভাঙণরে কবলে পড়ছে-ে উপজলোর গজালয়িা ইউনয়িনরে উত্তরে গজালয়িা পুরাতন লঞ্চঘাট থকেে দক্ষণিে গজালয়িার খাল  র্পযন্ত এক কলিোমটিার; ডাকুয়া ইউনয়িনরে উত্তরে গজালয়িার খাল থকেে হোগলবুনয়িা, আটখালী ও ডাকুয়া গ্রামসহ দক্ষণিে ফুলখালী স্লুইজগটে র্পযন্ত দুই কলিোমটিার; গোলখালী ইউনয়িনরে র্পূবে চরহরদিবেপুর থকেে পশ্চমিে হরদিবেপুর ফড়েীঘাট র্পযন্ত দুই কলিোমটিার, উত্তরে গোলখালীর খয়োঘাট থকেে দক্ষণিে নলুয়াবাগীর খাল র্পযন্ত সাড়ে চার কলিোমটিার এবং উত্তরে নলুয়াবাগী নসুখাঁর বাড়ি থকেে দক্ষণিে জব্বার সকিদার বাড়ি র্পযন্ত দুই কলিোমটিার; গলাচপিা সদর ইউনয়িনরে উত্তরে চরখালী মাধ্যমকি বদ্যিালয় থকেে দক্ষণিে আগুনমুখা নদীর মোহনা র্পযন্ত চার কলিোমটিার। আগুনমুখা নদীর ভাঙণরে কবলে পড়ছে-ে উপজলোর গলাচপিা সদর ইউনয়িনরে পশ্চমিে রামনাবাদ নদীর মোহনা থকেে র্পূবে বোয়ালয়িা স্লুইজগটে র্পযন্ত আড়াই কলিোমটিার; পানপট্টি ইউনয়িনরে পশ্চমিে বোয়ালয়িা স্লুইজগটে থকেে র্পূবে পানপট্টি লঞ্চঘাট র্পযন্ত দড়ে কলিোমটিার। বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ভাঙণরে কবলে পড়ছে-ে উপজলোর পানপট্টি ইউনয়িনরে দক্ষণিে পানপট্টি লঞ্চঘাট তকেে উত্তরে সন্নরিবান হয়ে যোগীর হাওলা ট্রলারঘাট র্পযন্ত পাঁচ কলিোমটিার; রতনদী তালতলী ইউনয়িনরে দক্ষণিে যোগীর হাওলা ট্রলারঘাট থকেে বদনাতল

No comments

Powered by Blogger.