বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতীক পেয়েই প্রচারণার মাঠে প্রার্থীরা

খোকন হাওলাদার, বার্তা ডেস্কঃ
বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে প্রতীক বরাদ্দ। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে শহরের কাশিপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে বিকেল পর্যন্ত। তবে প্রতীক পেয়েই অনেকে প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ করে কোন কোন প্রার্থী রিকশা বা অটোরিকশাযোগে মাইকিংও করছেন।



বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন- বেলা ১২টার দিকে মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে সকাল থেকে নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে- ৬জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দলীয় নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার, লাঙল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব, মই প্রতীক পেয়েছেন বাসদের মেয়র প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী এবং কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন সিপিবির প্রার্থী একে আজাদ।

বরিশাল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান সাংবাদিকদের জানান, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার কার্যক্রম শেষে বিসিসির নির্বাচনে মেয়র-৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর-৯৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫, ১৬ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন ও সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন প্রার্থী এককভাবে রয়েছেন। যাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর বাইরে সব প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরমধ্যে সাধারণ আসনের কাউন্সিলরা ১২টি ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের জন্য ১০টি সংরক্ষিত প্রতীক রয়েছেন।


তিনি বলেন- প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি-নিষেধ মেনে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন সরকারের প্রতি।

আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডের ১২৩ কেন্দ্রে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার বেছে নেবেন তাদের প্রার্থীদের।’

No comments

Powered by Blogger.