অবশেষে আফিফা ফিরে পেলো তার বাবা মাকে

খলিলুর রহমান,ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
আফিফা পরেনি কোনো দুষ্ট লোকের হাতে, পরেনি কোনো দুঃচরিত্র লম্পটের হাতে, কোনো পাচার কারী লোভির হাতে পরলে হয়তো এতোক্ষনে তার ঠিকানা হতো সিমান্তবর্তী কোনো এক এলাকায়। পাচার হয়ে যেতো কোনো এক সময় সকলের অজান্তে। কোনো কিডনি বিক্রেতার হাতে পড়লে হয়তোবা এতোক্ষনে আফিফার কিডনি কেটে রেখে ফেলে রাখতো কোনো এক জঙ্গলে। কোনো দিনও ফিরে পেতোনা আফিফা তার বাবা মাকে। তার বাবা মা কোনো দিনও ফিরে পেতোনা তার মেয়েকে। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া গ্রামের নারিকেল ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক খলিফার মেয়ে আফিফা(৯)নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার ফুফুর বাসা থেকে শক্রবার বের হয়ে আসে। এর পর বাসায় ফেরেনি আফিফা। খোজা খুজির পর কোথাও পায়নি আফিফাকে। মাইকিং করেছে ফতুল্লা এলাকায়। কোথাও সন্ধান মেলেনি আফিফার।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের পিংরী মোবারক কাঠির ওয়াজেদ আলীর বাড়ী থেকে আফিফাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে রাজাপুর থানা পুলিশ । এর পরে কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়ায় খবর পাঠালে আফিফার বাবা আঃ রাজ্জাক খলিফা শনিবার বিকাল ৪টার দিকে রাজাপুর থানায় আসলে থানা পুলিশ আফিফাকে তার বাবার হাতে তুলে দেন।
আফিফা জানান, ফতুল্লা থেকে সে ঝালকাঠিগামী লঞ্চে ওঠে এবং শনিবার সকালে ঝালকাঠি লঞ্চ ঘাটে নামে। এর পর পায়ে হেঁটে রাজাপুর উপজেলার পিংরী মোবারকাঠীতে আসে। ওখানে ওয়াজেদ আলী(৭৫) নামের এক বৃদ্ধের সাথে দেখা হলে তিনি তার বাড়ীতে নিয়ে যান।
আফিফার বাবা আঃ রাজ্জাক জানান, তার ২ ছেলে এবং ২ মেয়ে মধ্যে আফিফা সবার ছোট। গত কোরবানীর সময়ে আফিফার বুক এবং গলা পুড়ে যায়। তখন ৪মাস ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি ছিলো। এখন ঢাকায় নেয়া হয়েছে ওর অপারেশনের জন্য। পুড়ে যাওয়ার পরে আফিফা উপরের দিকে তাকাতে পারে না। ওর গলায় সমস্যার কারনে অপারেশন করাতে হবে।

No comments

Powered by Blogger.