পটুয়াখালীতে এক লম্পটের আপত্তিকর ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে তিন সাংবাদিকের উপরেনির্যাতনের অভিযোগ।

গাজী আনোয়ার হোসেন- পটুয়াখালী বুরো প্রধানঃ পটুয়াখালীতে এক লম্পটের আপত্তিকর ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে তিন সাংবাদিক এর উপর এক প্রভাব শালীর ব্যক্তির নামে সাংবাদিক নির্যাতনের আভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১০/০৬/২০১৮ইং সকাল ১১.৩০মিনিটের সময় পটুয়াখালী চৌরাস্তা সংলগ্ন একটি মটর সাইকেল গ্রেজ এর সামনে। ঐ দিন সাংবাদিক হাবিব কাজি তার নিজের মটরসাইকেল আনতে গেলে ও তার সাথে সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেন একত্রে সংবাদ সংগ্রহের জন্য মটরসাইকেল গ্রেজের সামনে থেকে রওনা দিলে হঠাৎ তাদের পথ রুদ্ধ করে এক প্রভাব শালীর ব্যক্তির সাথে কয়েকজন বি.এন.পি  কর্মি ও লম্পট সেলিমকে সাথে নিয়ে তাদেরকে লাঞ্চিত করে মোাবাইল, ক্যামেরাও সাংবাদিক কার্ড মানবাধিকার কার্ড ও বিগত দিনের প্রধান মন্ত্রি শেখ হাসিনার সিকিউরিটি পাশ সিনিয়ে নিয়ে যায়। প্রভাব শালীর ব্যক্তির নিজ হাতে হাতুরি দিয়া প্রতক্ষদর্শির সামনে সাংবদিকদের মোবাইল ফোন ভেঙ্গে চুরমার করে ও মুখে বলে সাংবাদিকদের কোন চিহ্ন রাখবোনা এবং ক্যামেরা গুলো ও কার্ড গুলো ভালো অবস্থায় সে হাতে নিয়ে যায়। সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেন,সাংবাদিক কাজী হাবিব ও সাংবাদিক মোঃ মাসুদ ৮/১০ দিন আগে পটুয়াখালী জজ র্কোটের সামনে থেকে লম্পট মোঃ সেলিম পিতা: মোঃ আব্দুল খালেক হাওলাদার সাং দুমকি তিনি আজ্ঞাত নামের একটি মেয়ে কথিত ভাগ্নি পরিচয় পটুয়াখালী চৌরাস্তার  একটি বাসায় নিয়ে গেলে এবং মেয়েটিকে স্লিলতা হানি সহ ধর্ষণ এর অভিযোগে স্থানিয় সূত্রে খবর পাওয়া গেলে সেখানে গিয়া হাতে নাতে সেলিমকে সহ ছদ্দ নামের শিল্পকে পাওয়া যায় এবং আপত্তিকর অবস্থায় লম্পট সেলিমের ছবি তুললে সেলিম সাংবদিক দের হাতে পায় ধরে কান্নাকাটি করলে ঐ সময় তাহাকে ছেরে দেয়া হয়। এ ঘটনায় পর্বতিতে সেলিম তার আপত্তিকর ছবি উদ্ধার এর জন্য প্রভাব শালী ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে পটুয়াখালীতে তিন সাংবাদিক এর উপর অতরর্কিত হামলা করে। সূত্রে জানা যায় লম্পট সেলিম প্রভাব শালী ব্যক্তির দূর সম্পর্কের আত্বীয়। আরো জানা যায় লম্পট সেলিম কিছু দিন পূর্বে ময়মনশিংহ জেলার এক মহিলার কাছ থেকে ৮৫ লক্ষ টাকা ও ২৫ ভরি সর্ন আতঃসাত করে জাহার মামলা পটুয়াখালী ডিবি অফিসে রহিয়াছে। লম্পট সেলিম এক জন প্রতারক সে সব সময় নিজের পকেটে স্টাম্প,চেক নিয়া চলাফেরা করে কোথাও কোন অনৈতিক কোন ঝামেল বাজলে প্রতারনার মাধ্যমে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে পলায়ন করে। এ ঘটনায় ঢাকা থেকে কতিপয় জাতিয় পত্রিকার সম্পাদকরা এ ঘটনায় অভিযুক্ত (প্রভাব শালী ব্যক্তি) কে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন আমার ভুল হয়েছে আপনারা যা বলেন তাই মেনে নিব। সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় সারাদেশের সাংবাদিক মহল ও মানবাদিকার সংস্থার থেকে এর তিব্র নিন্দা জানান। এবং অনতি বিলম্বে সাংবদিকদের নিকট থেকে সিনিয়ে নেয়া মোবাইল ফোন,ক্যামেরা,ও সাংবাদিক সহ মানবাধিকার কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য দাবি জানান। এবং সারাদেশের সাংবাদিক মহল প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ও তার সরকারের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার এর দাবি জানান।

No comments

Powered by Blogger.