বাংলাদেশে মৎস্যকন্যর জন্ম কিন্তু দেখা মিলল পরে




বাহিরের টিভি বা রুপালী পর্দায় প্রায়ই দেখা যায় মৎস্যকন্যা চরিত্র। ইন্ডিয়ান সিরিয়ালগুলোতে মৎস্যকন্যার দেখা মেলে অহরহ। এই মৎস্যকন্যার চরিত্র নিয়ে থাকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা কৌতুহুল। মৎস্যকন্যার লিঙ্গ নির্ধারণ নিয়ে থাকে বাড়তি কৌতুহুল। এবার টাঙ্গাইলে বাস্তবে দেখা মিললো সেই মৎস্যকন্যার। তবে জন্মের মাত্র আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত দেখা দিয়ে চিরবিদায় নেয় ওই নবজাতক মৎস্যকন্য।


জেলার সখীপুরে ‘মারমেইড সিনড্রোম’-এর শিকার ওই শিশু জন্ম হয়। রোববার দিবাগত রাতে ওই শিশুটি স্থানীয় লাইফ কেয়ার ক্লিনিক এন্ড নার্সিংহোম জন্মগ্রহণ করে। জন্মের আড়াই ঘণ্টা পরে ওই শিশুটি মারা যায়। শিশুটির মা উপজেলার বাঘেরবাড়ি গ্রামের কৃষক আনিছুর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার।


‘মারমেইড সিনড্রোম’ এ আক্রান্ত শিশুদের মূলত ‘মৎস্যকন্যা’ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। এ সব শিশুর দুটি পা জোড়া লাগানো থাকে। এমন শিশুদের কোনো প্রজনন অঙ্গও থাকে না। ফলে তাদের লিঙ্গ চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না।


এ ব্যাপারে লাইফ কেয়ার ক্লিনিক এন্ড নার্সিংহোমের চিকিৎসক আবদুস সাত্তার বলেন, কম সংখ্যক এমন শিশু জন্মগ্রহণ করে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এ শিশুটি মারমেইড সিনড্রোমের (আক্রান্ত) শিকার। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে-মৎস্যকন্যা। ওই শিশুর মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত সাধারণ জন্ম নেয়ার শিশুর মতই থাকে। কিন্তু নিচের অংশ মাছের লেজের মত দেখায় বলে এধরণের শিশুকে মৎসকন্যা বলা হয়ে থাকে।

No comments

Powered by Blogger.