কালিগঞ্জ সোনালী ব্যাংকের ভবনটি বেহাল দশা

খুলনা ব্যুরো ঃ
 কালিগঞ্জ সোনালী ব্যাংকের ভবনটি বেহাল দশা, জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়মিত সকল কার্যক্রম চালাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা­। কালিগঞ্জ উপজেলা নাজিমগঞ্জ নিউ মার্কেটে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক ভবনের ছাদে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ায় জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্যাংকের কর্মকতা কর্মচারীরা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কালিগঞ্জ শাখাটি খোলা হয়। ১৯৬৬ সালে নাজিগঞ্জ মোকামের ভাড়া করা একটি ঘরে। এরপর সেখান থেকে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে নির্মিত নাজিমঞ্জ বাজারে নিউমার্কেটের দ্বিতল ভবন নিউ মাকেট স্থাপিত হলে নীচের তালায় দোকান ও উপর তালায় শুধুমাত্র সোনালী ব্যাংক ভবনে কার্যক্রম চলে আসছে। এই ব্যাংক থেকে উপজেলার সকল সরকারী কর্মচারীদের বেতন ভাতা, সাকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা সহ নাজিমগঞ্জ মোকামের ব্যবসায়ীরা টাকা লেনদেনসহ কয়েক হাজার গ্রাহক এই ব্যাংকে লেনদেন করে আসছে। প্রতিদিন সংখ্যাক গ্রাহক ব্যাংকে আসা যাওয়া করে। অথচ জীবনের ঝুকি নিয়ে গ্রাহকরা ব্যাংকে এসে তাদের কাজ করছেন অন্যদিকে ব্যাংকের কর্মকর্তারা গ্রহক সেবায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল অফিসার আজিজুল হাকিম এ প্রতিনিধিকে বলেন, ব্যাংক ভবনটি পুরাতন হওয়ায় এবং ছাদে ফাঁটল দেখা দেওয়ায় ব্যাংকের ভগ্মদশা বিষয়ে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষসহ কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে কয়েক বার লিখিত ভাবে অবগত করা হয়েছে। গত ২০১৬ সালের ২৮ আগষ্ট এসবিএল/কালি/ভবন পূনঃনির্মাণ/৩৬০ পত্রের মাধ্যমে অত্র শাখা ভবন/ সংস্কার করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ব্যাংক ভবনের ভগ্মদশা এমন যেকোন সময়ে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। বিষয়টি সোনালী ব্যাংক ভবনের প্রধান কার্যালয় অবগত করানো হয়েছে। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদের সাথে ব্যাংক ভবনের সংস্কার বিষয়ে ব্যাংক কতৃপক্ষের কথা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী জানিয়েছেন অগ্রীম ৫০ লাখ টাকা দিলে ব্যাংক সংস্কার অথবা নতুন ভাবে নির্মান করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্ত সোনালী ব্যাংক কতৃপক্ষ এতো টাকা দেওয়া সম্ভব না বিধায় ভবন সংস্কারের বিষয়টি ঝুলে আছে। কবে নাগাদ কালিগঞ্জ সোনালী ব্যাংক ভবন সংস্কার হবে তা কেউ বলতে পারে না। তবে সোনালী ব্যাংক ভবন অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে আশে পাশে ভবন ও জায়গা দেখার কাজ চলছে বলে জানাগেছে। ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার আশুতোষ দাশ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রতিদিন ব্যাংকে আসি শঙ্কা নিয়ে। শত শত গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি ভয়ের মধ্যে কি জানি কখন কি ঘটে। অতিদ্রুত ব্যাংক ভবনটি সংস্কার প্রয়োজন।

No comments

Powered by Blogger.