চাকুরী নিয়মিত করণের দাবীতে কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের কর্মবিরতি

সিলেট প্রতিনিধি ঃ
জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি শ্রমিক নেতা কমরেড সিকান্দর আলী বলেছেন, খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা সহ কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে সফলতা এসেছে তার পেছনে খামার শ্রমিকদের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন খামারে কর্মরত দক্ষ শ্রমিকরাই মানসম্মত বীজ উৎপাদন করে আসছে। কিন্তু বিএডিসিতে কর্মরত শ্রমিকরা চরম অত্যাচার ও অন্যায়ের শিকার। বিএডিসি শ্রমিক ইউনিয়নকে আরো সক্রিয় হয়ে সম্মিলিত ভাবে ঐক্য চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। খামারে নিম্নতম একজন কর্মচারী বেতন ছাড়াও সরকারের যাবতীয় ভাতা ও সুবিধাদী পেয়ে থাকে। চাকুরী থেকে অবসরের পর পেনশনের ব্যবস্থা রয়েছে এবং এককালিন একটি বড় অংকের টাকা পায় যা তার পরিবারের একটি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় খামার শ্রমিকগণ দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর নিয়মিত কাজ করেও এই সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শ্রমিকদের নিয়মিত না করায় কৃষি ফার্ম শ্রমিকগণ সরকার প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়ে মানবতর জীবন যাপন করছে। মাননীয় কৃষিমন্ত্রী বিগত ২০১৭ সালের ২৩ মার্চ তারিখে অনিয়মিত কৃষিফার্ম শ্রমিকদের নিয়মিত করণের আদেশ প্রদান করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এটা মেনে নেয়া যায়না। শ্রমিকদের চাকরি নিয়মিত করণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

তিনি ১৫ মে মঙ্গলবার চাকুরী নিয়মিত করণের দাবীতে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৪ মে থেকে কর্মবিরতি দ্বিতীয় দিনে ধর্মঘটরত শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের সিলেট জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরী, শ্রমিকনেতা আনোয়ার হোসেন, মুজাম্মিল আলী, সাজ্জাদ হোসেন খোকন, মবশি^র আলী, নিজাম উদ্দিন, শাহিন মিয়া, কানু গোয়ালা, বিষি মন্ডা, চম্পা রাণী প্রমুখ।

No comments

Powered by Blogger.