পটুয়াখালীতে সোনালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১ এক লক্ষাধিক টাকা চুরি  থানায় মামলা


গাজী আনোয়ার হোসেন :পটুয়াখালীতে সোনালী  ব্যাংক নিউ টাউন শাখা থেকে গত  ইং রোজ সোমবার এক গ্রাহকের নিকট হইতে ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা চুরি হইয়া যায়। যে গ্রাহকের টাকা চুরি হইয়া যায় তার নাম : কাজী রাসেল, পিতা: কাজী আবুল হোসেন, সাং তুষখালী, ইউপি : ছোট বিঘাই, থানা ও জেলা: পটুয়াখালী। ঘটনা স্থলে গিয়া গ্রাহক কাজী রাসেলকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি গত ২৩/০৪/২০১৮ ইং রোজ সোমবার বেলা ১১.১৫ মি. এর সময় সোনালী ব্যাংক নিউটাউন শাখায় যাই। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ১০ টাকা কেজি নির্ধারিত এপ্রিল/২০১৮ ইং মাসের চালের মূল্যে নিয়োগকৃত ডিলার হিসাবে ট্রেজারি চালান মাধ্যমে নগদ  ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা সোনালী ব্যাংক পটুয়াখালীতে জমা দেওয়ার জন্য একটি সপিং কাপরের ব্যাগে সোনালী ব্যাংকের মধ্যে নিয়া ক্যাশ কাউন্টারে আসেন। কাউন্টারে আসিয়া টাকা জমা দিতে ক্যাশ কাউন্টারের উপরে ব্যাগটি রাখিয়া ক্যাশিয়ারের সাথে কথা বলিতে থাকি। অনুমান ১০/১৫ মিনিট পর অর্থাৎ ১১.৩৫ ঘটিকার সময় ব্যাগের দিকে তাকাইয়া দেখি যে আমার ব্যাগের মধ্য দিয়া ব্লেট অথবা ধারালো চাকু দিয়া কাটিয়া আমার সমুদয় টাকা অজ্ঞতনামা আসামিরা নিয়ে গেছে। আমি সাথে সাথে ডাকচিৎতকার দিলে আসে পাশের ও ব্যাংক স্টাফদের বিষয়টি অবহিত করিয়া ব্যাংকের ভিতরে খুজে না পেয়ে ব্যার্থ হই। বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজারকে অবগত করলে গত ২৩/০৪/২০১৮ তাং আনুমানিক সোমবার ১১ /১২ টার  মধ্যে যে কোন সময় আমার ব্যাগের ভিতর নগদ ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা অজ্ঞাত আসামিরা আমার ব্যাগটি কাটিয়া চুরি করিয়া নিয়া যায়। আমি এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় ১টি সাধারণ ডায়রি করি এবং গত ২৮/০৪/২০১৮ ইং তারিখ আমার ছোট বিঘাই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেনকে নিয়া থানায় এজাহার করি। আমার এ কথাগুলো এজাহারে বর্নিত আছে। তাছাড়া গত ২৮/০৪/২০১৮ ইং বেলা ৫.৫০ মিনিটের সময় পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ বাদীর সন্দেহ জনক ভাবে ১জনকে আটক করে। তাহার নাম ফয়েজ আহম্মেদ , পিতা: আইনআলী ভুইয়া, সাং- চর জৈনকাঠী। এ ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানায় অফিসার ইন চার্জ মো: মোস্তাফিজুর রহমান এর সাথে আলপ করলে ঘটনার সত্যতা শিকার করে তিনি জানান এ ঘটনায় কাজী রাসেল বাদী হয়ে অজ্ঞতা নামা মামলা এজাহার করেছে। ঘটনাটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। সন্দেহ জনক ফয়েজ নামে একজনকে আটক করা হলে তাকে জৈনকাঠীর ইউপি মেম্বার কামরুজ্জামান পলাশের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মূল আসমি বা চোরকে ধরতে পারলে ফয়েজ অপরাধী হলে জামিনদার পলাশ মেম্বার তাকে থানায় হাজির করবে অন্যথায় জামিনদার পলাশ মেম্বার মামলার উল্লেখিত টাকা ফেরতৎ দিবে এ মুচলেকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে মিমাংশা করলেন তদন্ত অফিসার আবুল বশার। এ ঘটনায় পটুয়াখালী সোনালী ব্যাংক নিউটাউন শাখার ম্যানেজার মো: সেলিম মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন আমরা সিসি ক্যামেরা রেখেছি তা ছাড়া সিকিউরিটি গার্ড আছে এ বলে তিনি দায়ভার সেরে নিচ্ছেন। অথচ গ্রাহকদের অভিযোগ সোনালী ব্যাংক নিউটাউন শাখায় বার বার এ ঘটনা ঘটছে কিছু দিন আগে এ শাখায় এ ভাবে গ্রাহকের টাকা চুরি হয়েছে। এ ব্যাংকে আমরা কোন নিরাপত্তা পাইনা। ব্যাংকের ভিতর থেকে যদি টাকা চুরি হয় তাহলে গ্রাহক যাবে কোথায়। ব্যাংক ম্যানেজার নিরাপত্তা দিতে ব্যার্থ এমন ভাবে অনেক গ্রাহক জানান। এ ব্যাংকে দৈনিক পকেট মার, চোর, ছিনতাইকারী চক্র ব্যাংকে প্রবেশ করে ঘোরাঘুরি করে সুযোগ মত গ্রহাকদের টাকা পয়সা ও মোবাইল হাতিয়ে নিয়ে যায়। গ্রাহকরা সরকারের কাছে দাবি জানান এ ব্যাংকে যেন ভালেভাবে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। 


No comments

Powered by Blogger.