উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই – হাসিনা দৌলা



আনিসুর রহমান (দিপু), সাভার প্রতিনিধিঃ
বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই বুঝতে পেরেছে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ইনশাল্লাহ আওয়ামীলীগ নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করবে।
শুক্রবার (১১ই মে) ভোরের কন্ঠকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য এবং সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা দৌলা এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলো। আমরা ইতিমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয়েছি এবং বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের জন্য আমরা বিশ্বের ৫৭ তম উন্নত প্রযুক্তির দেশে স্বীকৃতি অর্জন করেছি। জনগণের অধিকার কেবলমাত্র আওয়ামীলীগ সরকার এলেই সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। তাই জনগণ সার্বিক উন্নয়নের এই ধারাকে চলমান রাখতে বারবার আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। সমগ্র বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই বুঝতে পেরেছে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামীলীগ নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের ৩৫০ জন সাংসদের উচিত তাদের নিজ নিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারণা চালানো। এতে করে সারাদশে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ছড়িয়ে পড়বে এবং আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তা আওয়ামীলীগের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

উল্লেখ্য, হাসিনা দৌলা ২০১১ সালের ১৫ই ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তার বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জেলা পরিষদ টাওয়ার ভবন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টার, মিরপুর ও নবাবগঞ্জে জেলা পরিষদ মার্কেট, নবাবগঞ্জ ও জিনজিরায় কমিউনিটি সেন্টার, আটিবাজার ব্রীজ, বেইলী রোডের মহিলা সমিতি ভবন প্রভৃতি।
এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশান, গির্জা নির্মাণে তিনি আর্থিক সহায়তা করেন। প্রতিবছর হাসিনা দৌলা গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে কাপড়, গরু, ছাগল, গাছের চারা বিতরণ করেন এবং গরীব ও দুঃস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করেন বলে জানা যায়।

হাসিনা দৌলার রাজনৈতিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং পারিবারিকভাবেও তিনি বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সদস্য পদ লাভ করেন। ২০০২ সালে তিনি সরাসরি ভোটে সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালেও তিনি সর্বসম্মতিক্রমে ২য় বারের মতো উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সবসময় উপজেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে চেয়েছেন যার ফলশ্রুতিতে সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগ একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত অবস্থানে আসতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন তার শুভাকাঙ্খীরা।

No comments

Powered by Blogger.